একইভাবে জুলাই অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রান্তও বরদাস্ত করা হবে না।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মত ও পেশার মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। একইভাবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও সর্বস্তরের মানুষ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য রাজপথে নেমে এসেছিলেন। এই ঐতিহাসিক অর্জনকে ঘিরে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না।’
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দুই-আড়াই বছর আগে এ দেশের ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়ে স্বৈরাচারের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করেছে।
সেই ঐতিহাসিক দৃশ্যে আমরা দেখেছি, দল, মত ও ধর্ম নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। এই হাজার বছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশটিকে নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না। অতীতে যেভাবে আমরা মিলেমিশে বসবাস করেছি, ভবিষ্যতেও শান্তিতে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’
সম্প্রীতির বার্তা, মন্দিরে অনুদান
এর আগে দুপুর ১২টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে রংপুরের ধর্মসভা রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মন্দির কমিটির সদস্য ও স্থানীয় নেতারা তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপে প্রবেশ করে সনাতন ধর্মাবলম্বী পুরোহিত ও ভক্তদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের শুভেচ্ছা জানান।
মন্দির পরিদর্শন শেষে এর সার্বিক উন্নয়ন ও সংস্কারকাজের জন্য ১০ লাখ টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন তিনি। দুর্গোৎসবের আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল এবং সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীসহ প্রমুখ।