পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশে সরোন থানার পুলিশ ও জেলার বিশেষ অভিযান দলের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান। শনিবার চাঁদপুরা-গৌপুরা মোড়ের কাছে একটি যাত্রীছাউনিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতের উত্তর প্রদেশে দেড় মাস বয়সী নিজের সন্তানকে এক দম্পতির কাছে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পরে পরিবারের সদস্যদের তিনি বলেন, ওষুধ কিনতে যাওয়ার সময় তার সন্তানকে অপহরণ করা হয়েছে।
রবিবার এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
এনডিটিভি জানায়, এ ঘটনায় শিশুটির মা, এক চিকিৎসক, চিকিৎসকের স্ত্রী এবং ওই দম্পতিসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সুপার ওপি সিং জানান, শনিবার শিশুটির বাবা অরবিন্দ থানায় অভিযোগ করার পর ঘটনাটি সামনে আসে।অরবিন্দ বানুপুর পুখতা গ্রামের বাসিন্দা
অরবিন্দ ফরিদাবাদের একটি মিষ্টি তৈরির কারখানায় কাজ করেন। তিনি পুলিশকে জানান, গত ১৬ অক্টোবর তার স্ত্রী ছেলের জন্য ওষুধ কিনতে কাসগঞ্জে যান। অভিযোগ অনুযায়ী, বাসস্ট্যান্ডে শৌচাগারে যাওয়ার সময় স্ত্রী শিশুটিকে এক অচেনা নারীর কাছে রেখে যান।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশে সরোন থানার পুলিশ ও জেলার বিশেষ অভিযান দলের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালান। শনিবার চাঁদপুরা-গৌপুরা মোড়ের কাছে একটি যাত্রীছাউনিতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির মা জানিয়েছেন, সন্তানকে বিক্রি করে তিনি ১ লাখ ৩০ হাজার রুপি পেয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার রুপি তার ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়েছিল। বাকি ১০ হাজার রুপি তিনি নগদ পেয়েছেন বলে অভিযোগ।
অন্যদিকে, হাতরাসের ওই দম্পতি পুলিশকে জানিয়েছেন, শিশুটির মায়ের সম্মতিতে চিকিৎসক ও তার স্ত্রীর মাধ্যমে তারা ২ লাখ রুপিতে শিশুটিকে কিনেছিলেন। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।
মন্তব্য করুন