
গাজীপুরের টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকায় একসময় ‘বোবা মনির’ নামে পরিচিত সাজ্জাদুল ইসলাম মনিরের প্রভাব ও দাপটে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিলেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁর বিরুদ্ধে ছিনতাই, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে একটি চক্রকে ব্যবহার করার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাজ্জাদুল ইসলাম মনির আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি এলাকায় নিজের একটি প্রভাববলয় তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।
মনিরের ভাই অন্তরের বিরুদ্ধেও ছিনতাই, মাদক কারবারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২১ সালে টঙ্গীর পশ্চিম আউচপাড়া এলাকায় নিপ্পন গার্মেন্টসের সামনে অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে অন্তরও ছিলেন। সে সময় পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগের কথা জানিয়েছিল।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও মনিরের প্রভাব পুরোপুরি শেষ হয়নি। বর্তমানে নিপ্পন গার্মেন্টসের জুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার ও ছিনতাইয়ের মতো কর্মকাণ্ডে তাঁর অনুসারীদের প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ছাড়া স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর সংঘটিত একটি ছাত্র হত্যা মামলায়ও মনিরের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, মনির নিজে আড়ালে থেকে তাঁর ভাইসহ ঘনিষ্ঠদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাজ্জাদুল ইসলাম মনিরের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
মন্তব্য করুন