
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব শেখ ফরিদুল ইসলাম আজ ৫ জুলাই ২০২৬ (রবিবার) গাজীপুরে কংক্রিট ব্লক কারখানা পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ কংক্রিট ব্লক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
মতবিনিময় সভায় কংক্রিট ব্লক শিল্পের বর্তমান অবস্থা, এ শিল্পের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব নির্মাণপ্রযুক্তির প্রসার, শিল্পের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার বৃদ্ধি এবং টেকসই, নিরাপদ ও আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. জিয়াউল হক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। বাংলাদেশ কনক্রিট ব্লক প্রস্তুত কারক মালিক সমিতির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কংক্রিট ব্লক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সভাপতি লে. কর্নেল (অব.) শাখাওয়াত হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আহসান হাবীব,এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আতিক শাহরিয়ার রাফিদ, মোহাম্মদ ফারুক খান, বিভিন্ন শিল্প-উদ্যোক্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, পরিবেশবান্ধব নির্মাণব্যবস্থা গড়ে তুলতে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার সময়ের অপরিহার্য দাবি। পরিবেশ সুরক্ষা, কৃষিজমি রক্ষা এবং কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে কংক্রিট ব্লকের বিকল্প নেই। সরকার এ শিল্পের বিকাশে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে। তিনি সরকারি বিভিন্ন অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে পর্যায়ক্রমে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং যেখানে প্রয়োজন সেখানে এর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি নীতিগতভাবে বিবেচনা করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। পাশাপাশি শিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বাস্তবসম্মত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ারও আশ্বাস দেন।
সভায় বক্তারা পরিবেশবান্ধব, টেকসই ও আধুনিক নির্মাণব্যবস্থা বাস্তবায়নে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার আরও সম্প্রসারণ, এ শিল্পের বিকাশে কার্যকর নীতিগত সহায়তা প্রদান এবং সরকার, শিল্প-উদ্যোক্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন